খুলনা, বাংলাদেশ | |

Breaking News

  রিজভীর সঙ্গে মিতুলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, আড়ংঘাটার নানা সমস্যা তুলে ধরলেন।
  আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
  নিরাপদ খুলনা চাই-এর উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
  ছবি আছে গ্রামীন ঐতিহ্যের চিরচেনা খেলাধুলা বিলুপ্ত ঈদগাঁওতে 
  বিকেএসপিতে ডাক পেল ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরের ক্ষুদে ফুটবলার জিদান
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শাহিনুর রহমান শাহিনের
  ফলোআপ ইসলামাবাদ থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্বার
  খুলনায় বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর শাখার ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
  ডুমুরিয়া খর্নিয়ায় মামলা-হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ
  খুলনায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।চেয়ারম্যান প্রার্থী মতলেবুর রহমান মিতুল এর উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।

ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছিনতাইকারী সন্দেহে তিন জনকে—দুই পুলিশ সদস্য ও একজন পুলিশ সোর্স—শিক্ষার্থীদের দ্বারা ধরে ক্যাম্পাসে আনার ঘটনায় তনাব ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে উভয় পক্ষের সম্মতিতে লিখিত সমঝোতায় ঘটনার নিষ্পত্তি হয়েছে।

ঘটনা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ঘটে। আটক হওয়া তিনজন হলেন কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হানিফ, কনস্টেবল শ্যামল এবং পুলিশ সোর্স জাহিদ। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী দুজন হলেন কুবির পরিসংখ্যান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের সিফাত হোসেন সিয়াম ও অর্প।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ও সংশ্লিষ্টদের বিবরণে জানা গেল, টিউশন শেষে ক্যাম্পাসে ফিরতে গিয়ে রেসকোর্স এলাকায় এ তিনজন সিফাত ও অর্পের পথরোধ করেন। তারা নিজেদের পুলিশ হিসেবে পরিচয় দিয়ে শিক্ষার্থীদের তল্লাশি শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা প্রদর্শন করতে অনিচ্ছুক হন। এরপর ওয়াকি-টাকি ও হ্যান্ডকাফ দেখিয়ে নিজেদের পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে শিক্ষার্থীদের সাথে তাদের বিতর্ক ও ধস্তাধস্তি হয়। স্থানীয় লোকজন জমা হওয়ার পর তাদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ জাগলে শিক্ষার্থীরা ছিনতাইকারী সন্দেহে তিনজনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় বাসে চড়িয়ে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন। অভিযোগ হলো, বাস থেকে নামানোর পর তাদের মারধর করা হয়েছে।

পরে তাদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাওয়া হলে কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস তাদের পুলিশ সদস্য ও সোর্স হিসেবে শনাক্ত করেন। ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ কর্মকর্তারা উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনে। দীর্ঘ আলোচনার পর লিখিত সমঝোতায় সমাধান হয়।

শিক্ষার্থী সিফাত হোসেন সিয়াম দাবি করেন, তারা হাঁটার সময় হঠাৎ একজনের হাত আতঙ্কিত করে পকেটে হাত দেওয়ার পর তাদের পরিচয় জানতে চায়। আইডি কার্ড দেখানোর প্রস্তাব দিলেও তারা না দেখিয়ে বারবার হ্যান্ডকাফ দেখিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। একজন স্থানীয় ব্যক্তির মধ্যস্থতায় তিনি বাসে চড়িয়ে ক্যাম্পাসে আনার কথা বলেন।

কুবির প্রক্টর ড. মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, উভয় পক্ষেই কিছু ভুল হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা পরিচয়পত্র দেখাতে চাইলেন না, আবার শিক্ষার্থীদেরও উচিত ছিল কর্তৃপক্ষকে জানানো বরং জোরপূর্বক ক্যাম্পাসে আনা। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে যৌক্তিক সমাধান করা হয়েছে এবং উভয় পক্ষ সেটি মেনে নিয়েছে।

অন্যদিকে, কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. লুৎফর রহমান জানান, ঘটনায় পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকা কিনা তা যাচাই করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

November 6, 2026
ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 ichamotinews .com

Developed By: ShimantoIT